ইসলাম ধর্মের শেষ নবী বলে দাবিদার ধূর্ত মুহাম্মদের লিখিত কোরআনে বলা হয়েছে,
‘কাফেরদের যেখানে পাও সেখানে হত্যা কর।’ — সূরা তওবা (৯:৫)।
অর্থাৎ, যে/যারা এই ধর্মকে গ্রহণ করবে না, তাদের সাথে জিহাদের নামে মানুষ হত্যার মাধ্যমে ৭০ হুরের সাথে যৌন সংসর্গের লালসা তৈরি করা হয়েছে। যা আধুনিক মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। ধর্মের ভিত্তিতে মানব জীবনের প্রাত্যহিক জীবনের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণের মাধ্যমে কথিত ধর্ম ইসলাম একটি বিপজ্জনক ও অসভ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। কোরআনের এমন কিছু বৈষম্যমূলক শব্দ বৈষম্যবিরোধী, সভ্য ও মানবিক স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের পথে অন্তরায়। চরিত্র মুহাম্মদের মূলত একটি কুৎসিত চরিত্রের প্রকাশ এটি। নবী মুহাম্মদের রাজনৈতিক ও আরব উপদ্বীপে ধর্মীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপটে ভিন্ন মতাদর্শের মানুষকে হত্যাকে জিহাদের নামে বেহেশত লাভের উপায় হিসেবে বলা হয়। যা জিহাদের নামে সহিংসতার নৈতিক অনুমোদন। এই ধর্মীয় উন্মত্ততা অদ্যাবধি বিদ্যমান। সভ্য সমাজের মূল ভিত্তি হলো মানবিক স্বাধীনতা, যুক্তিবাদ ও সহিষ্ণুতা। ইসলামসহ সব ধর্মকেই এখন সময় এসেছে সমালোচনার আলোয় দেখা, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে বিচার করা, এবং মানবিক মূল্যবোধকে সব কিছুর ঊর্ধ্বে স্থাপন করা।
টিকা: “মানুষ হত্যা ইসলামে কি জায়েজ” শিরোনামের লেখাটি ২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে এথিস্ট ইন বাংলাদেশ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে লেখাটি ব্যক্তিগত ব্লগে পুনঃপ্রকাশ করা হলো।
