এই নির্বাচন নয় শুধু, গোটা আওয়ামী দুঃশাসনামলকেই হোসেন বলা চলে। যেখানে নির্বাচনকে বৈধতা দান করবার জন্য নিজ দলীয় প্রার্থী দাঁড় করিয়ে প্রতীকী প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনী ভাব দেখাবার জন্য, সেখানে কারচুপি নিয়ে আওয়ামী চোরেরা থোড়াই কেয়ার করে—সেটা স্পষ্ট।
তবে মানুষের যে গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার আছে, সেটা আওয়ামী লীগ ঐতিহাসিকভাবে বিশ্বাস করেনি কখনো। বাকশাল, মুজিবীয় একনায়কতান্ত্রিক নির্বাচন পদ্ধতি—এইসবই নির্দেশ করে আওয়ামী লীগের গণতন্ত্রের প্রতি সত্যিকারের আস্থা কেমন, বা তারা আদৌ নির্বাচনী গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে নাকি বাংলাদেশকে নিজেদের সম্পত্তি মনে করে—সেটা নিয়ে কোনো আলোচনা বাতুলতা মনে হয়।
জানিনা উত্তরণের উপায় কী—বিপ্লব। কার রক্তের বিনিময়ে?
টিকা: ২৫ মে ২০২৪ তারিখে দৈনিক নবযুগ পত্রিকায় প্রকাশিত
[টিকা: “জানুয়ারি ২০২৪ নির্বাচন – কলঙ্কের নতুনতম অধ্যায় নাকি প্রহসনের শেষ অঙ্ক?” শিরোনামে লিখায় মন্তব্যটি প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে লিখাটি ব্যক্তিগত ব্লগে পুনঃপ্রকাশ করা হলো।]
