আমি মনে করি শেখ হাসিনার মৃত্যুর সময় হয়ে এসেছে। এটা যদি না হতো, তাহলে এ ধরনের লাগামছাড়া অন্যায় করতে পারত না। তার বাবাটাও এইসব বাড়াবাড়ি করতে গিয়ে মরল। দেশটাকে নিজের সম্পত্তি ভাবলে যা হয় আর কী। আমি হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। প্রতিহিংসা কখনো ভালো কিছু আনে না। কিন্তু হাসিনা মোটেও সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ না। হওয়ার কথাও না। কারণ তার পরিবারের এতগুলো সদস্যকে মেরে ফেলল একসাথে—এইভাবে সবাই একেবারে নিঃশেষ হয়ে গেল। এইটার পরে কোনো মানুষই স্বাভাবিক থাকতে পারে না। সে কীভাবে মানসিক হাসপাতালে না থেকে একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়, বুঝলাম না। আওয়ামী লীগ একটা মনোবিকারগ্রস্ত দল। নাহলে এমন উন্মাদিনীকে কেউ নেত্রী করে?

আল জাজিরা বাংলা দেশের পরিস্থিতি সত্যভাবে তুলে ধরেছে। মুশতাক মরে প্রমাণ করে দিল কী চরম বীভৎস বাংলার বিচারকরা এবং আওয়ামী শয়তানরা। প্রতিহিংসা নয়, দেশ রক্ষার স্বার্থেই এদের চিরতরে সরিয়ে দিতে হবে। আমি সুশীল সমাজকে এগিয়ে আসতে বলি এবং আন্তর্জাতিক মহলকেও একই অনুরোধ করি।

এসব মানে দাঁড়াচ্ছে, সরকারের নানাবিধ নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ জনতার কী অবস্থান! সরকারি এইসব নীতির বিরুদ্ধে বলতে গিয়েই এমডি ওবায়দুর রহমান খান বলেন, “লজ্জা-শরম থেকে থাকলে সরকার এই আল জাজিরার তথ্যচিত্র দেখেই পালিয়ে যেত। এদের লজ্জা-শরম বলেই কিছু নাই আসলে। আসলে হাসিনার ছেলেই দেখেন না, একটা আস্ত প্রতারক। আর মা হচ্ছে আরও বড় ভোট ডাকাত। প্রতারক আর ডাকাত মিলে কী নোংরা জুটি!”

[টিকা: ২২ মার্চ ২০২১ তারিখে দৈনিক নবযুগ পত্রিকায় প্রকাশিত

“অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন” শিরোনামে লিখায় মন্তব্যটি প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে লিখাটি ব্যক্তিগত ব্লগে পুনঃপ্রকাশ করা হলো।]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *